Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

(ছবি) এই অদ্ভুত জায়গাগুলি ভারতে রয়েছে তা আপনি নিশ্চিত জানেন না!

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

ভারত শুধু একটি দেশ নয়, এর সভ্যতা, সংষ্কৃতি, শিক্ষা, ঐতিহ্য, ইতিহাস, পরম্পরা সবার চেয়ে আলাদা। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার একটি হল সিন্ধু সভ্যতা। আর তাই সারা পৃথিবীর পর্যটকদের কাছে ভারত সবসময়ই আকর্ষণীয় দ্রষ্টব্য স্থান। পুরনো যুগে ভারতের সুনাম ছিল সভ্যতা-সংষ্কৃতির জন্য। তবে সেসব ছাপিয়ে এখন ভারত পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতলয়ে বেড়ে চলা অর্থনীতির দেশ হিসাবে সারা পৃথিবীর কাছে পরিচয় পেয়েছে।[(ছবি)আগামী বছরই চাঁদে বেড়াতে যাচ্ছে মানুষ, কিন্তু কীসে চড়ে যাচ্ছে ?]

তবে শুধু সংষ্কৃতি, ঐতিহ্য নয়, এমন কিছু রহস্যও ভারতের আনাচা-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে যা পৃথিবীর নানা অংশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের বিষয় হয়ে রয়েছে। ভারতবাসী হিসাবে আমাদের অনেকেই সেই সম্পর্কে জ্ঞাত নই। এমনকিছু জিনিস যার কাছে বিজ্ঞানও ডাহা ফেল করে গিয়েছে। এহেন কিছু অবিশ্বাস্য জায়গা সম্পর্কে নিচে জানানো হল যা সম্পর্কে না বললে আপনি বিশ্বাসই করতেন না এমন জায়গা রয়েছে বলে।[আন্দামান: অগ্ন্যুৎপাতের পরও বেড়াতে যাওয়া যাবে ব্যারেন দ্বীপে !]

যমজের শহর, কেরল

যমজের শহর, কেরল

কেরলের মালাপ্পুরম জেলার কোদিনহি টাউন এক অদ্ভুত জায়গা। যা এই এলাকাকে বাকী জায়গা থেকে আলাদা করেছে। এখানে এলেই আপনি দেখতে পাবেন প্রায় একইরকম দেখতে দুটি করে মানুষ। এই গ্রামে ২০০ জোড়া যমজ সন্তান রয়েছে। এবং ২ জোড়া ত্রিপলেট বা তিনটি করে সন্তান রয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের, এখানকার মেয়েরা অন্য জায়গায় গিয়ে বাস করলেও তাদের যমজ সন্তানই হয়। চিকিৎসকেরা বলেন, এলাকার জলে এক ধরনের রাসায়নিক থাকার কারণেই এমন ঘটনা ঘটে থাকে।[ভারতের সেরা 'রোমান্টিক ডেস্টিনেশন'গুলিতে চাইলেই যেতে পারেন আপনি]

দরজা নেই গোটা গ্রামের কোনও বাড়িতে, মহারাষ্ট্র

দরজা নেই গোটা গ্রামের কোনও বাড়িতে, মহারাষ্ট্র

শনি- শিঙ্গাপুর, মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার একটি জায়গা। এই জায়গাটি শনি মন্দিরের জন্য বিখ্যাত। তবে তার চেয়েও মজার তথ্য হল, এই গ্রামের কোনও বাড়িতে দরজা নেই। এমনকী এলাকার দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, সরকারি বিল্ডিংয়েও কোনও দরজা নেই। অথচ এখানে কোনও অপরাধ হয় না। তা দেখে এলাকার ইউকো ব্যাঙ্কের শাখায়ও কখনও তালা ঝোলানো হয় না। সারা দেশে এই নজির আর কোথাও নেই।[পশ্চিমবঙ্গের এই ৫টি রাজবাড়িতে রয়েছে রাত্রিবাসের রাজকীয় বন্দোবস্ত]

রাধুঁনিদের গ্রাম, তামিলনাড়ু

রাধুঁনিদের গ্রাম, তামিলনাড়ু

রামনাথপুরমের কালায়ুর গ্রামে মোট ৩৫৬টি ঘর রয়েছে। সবমিলিয়ে বাস ১৪৫০ জনের। এর মধ্যে ২০০ জনের বেশি মানুষ রাধুঁনির কাজ করেন। আর সকলেই পুরুষ। এখানকার ঘরে ঘরে গেলে মহিলার চেয়ে পুরুষকেই রান্নার দায়িত্ব সামলাতে বেশি দেখা যায়।[ভারতে সেরা জঙ্গল সাফারি করতে পারবেন এই জায়গাগুলিতে]

দাবা গ্রাম, কেরল

দাবা গ্রাম, কেরল

থিসারের আম্বালুর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মারোত্থিচাল গ্রামের জনসংখ্যা ৯ হাজার। এর মধ্যে প্রায় সকলেই দাবা খেলেন। বলা হয়, ৬০-৭০ এর দশকে এই গ্রামের মানুষ মদের নেশায় আসক্ত ছিলেন। তেমনই একজন উন্নিকৃষ্ণণ। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর। সেইসময়ে তিনি গ্রামে দাবা খেলা আমদানি করেন। মার্কিন গ্র্যান্ডমাস্টার ববি ফিশারের খেলা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। তা দেখে তিনি গ্রামবাসীদের তাতে উদ্বুদ্ধ করেন। দাবা খেলা শেখানো শুরু করেন। পরে ধীরে ধীরে গ্রামের সকলে মদ ছেড়ে দাবায় আসক্ত হয়ে পড়ে।[বঙ্গোপসাগরের তীরে ভারতের সবচেয়ে সুদৃশ্য সমুদ্র সৈকতগুলি একঝলকে]

বুলেট বাবা মন্দির, রাজস্থান

বুলেট বাবা মন্দির, রাজস্থান

এই জায়গাটি ওম সিং রাঠৌরের স্মৃতিতে তৈরি হয়েছে। জায়গাটির নাম দেওয়া হয়েছে বুলেট বাবা মন্দির। সারা দেশে এমন মন্দির দুটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। ১৯৮৮ সালের ২ ডিসেম্বর ওম সিংয়ের রাস্তায় বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। পরে বাইকটি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হলেও রাতে বাইকটি যেকোনওভাবে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে যেত। গাড়ির সমস্ত তেল বের করে নিয়েও তা বন্ধ করা যায়নি। এরপরই সেই বাইক নিয়ে এসে বেদি বানিয়ে মন্দিরের মতো করে তাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।[বিলাসবহুল ছুটি কাটাতে চান? গোয়ার এই ৫ হোটেলে থাকতে পারেন!]

ভাসমান পাথর, তামিলনাড়ু

ভাসমান পাথর, তামিলনাড়ু

হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী লঙ্কা থেকে সীতাকে নিয়ে আসার জন্য বানর সেনা এই পাথর ফেলে সমুদ্রে সেতু বানিয়েছিল। আজও রামেশ্বরমে গেলে এই ভাসমান পাথর দেখতে পাওয়া যায়। রামায়ণ অনুযায়ী পাথরে রামচন্দ্রের নাম খোদাই করলে তা জলে না ডুবে ভেসে থাকে।[দেশের এই জায়গাগুলিতে এখনও আদিম উপজাতির বসবাস]

কারনি মাতা মন্দির, রাজস্থান

কারনি মাতা মন্দির, রাজস্থান

রাজস্থানের বিকানের থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কারনি মাতা মন্দিরকে অনেকে ইঁদুরের মন্দির বলেও জানেন। এখানে ইঁদুরকে পূজা করা হয়। বলা হয়, ইঁদুর এই কারনি মাতার কনিষ্ঠতম পুত্র যে জলে ডুবে মারা যায়। পরে যমের কাছে ছেলের প্রাণভিক্ষা প্রার্থনা করলেও তা শোনেননি যম। তবে বর দিয়ে বলেন, তাঁর পুত্র ইঁদুর হয়ে জন্মাবে এবং সেই জন্ম শেষ হলে পরের জন্মে আবার মানুষ হয়ে জন্মাবে।

সাপের এলাকা, মহারাষ্ট্র

সাপের এলাকা, মহারাষ্ট্র

মহারাষ্ট্রের শোলাপুর জেলার শেতপালকে সাপের আঁতুরঘর বলা হয়। এখানে প্রতিটি বাড়িতে কেউটে, শঙ্খচূড় সহ সমস্ত সাপের জিরোনোর জায়গা রয়েছে। তবে এরা কারও ক্ষতি করে না। এমনকী এতদিনে এই গ্রামে কেউকে সাপে কাটার খবর পাওয়া যায়নি।

English summary
Take a trip to these mysterious places in India that you didn't know existed!
Please Wait while comments are loading...