Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু উলুবেড়িয়ায় শ্বশুরবাড়িতে, গ্রেফতার স্বামী

  • By: Oneindia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

উলুবেড়িয়া, ১৫ অক্টোবর : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রীর রহস্য মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য হাওড়ার উলুবেড়িয়ায়। গড়িয়ায় বাপের বাড়িতে শোকের ছায়া লক্ষ্মীপুজোর দিনে। শনিবার সকালে মিতার নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত তরুণী গৃহবধূর নাম মিতা মণ্ডল। শ্বশুর বাড়ির লোকের দাবি, মিতা আত্মঘাতী হয়েছে। তা হলে শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন এল কোথা থেকে, তা নিয়েই রহস্য দানা বেঁধেছে। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মিতার স্বামীকে।

মৃতার স্বামী রানার বয়ান অনুযায়ী, রাতেই ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মিতার মৃতদেহ। অথচ শনিবার সকালে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, মিতার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। মাথা ফুলে রয়েছে, নাক দিয়ে গড়িয়েছে প্রচুর রক্ত। মিতার বাপের বাড়ির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁদের মেয়েকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। পণের দাবিতেই এই খুন বলে তাঁদের অভিযোগ।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু উলুবেড়িয়ায় শ্বশুরবাড়িতে, গ্রেফতার স্বামী

এবার পুজোর আগেই গড়িয়ার সোনারপুরের শক্তিনগরে বাপের বাড়িতে গিয়ে বাবার কাছে এক লক্ষ টাকা চেয়েছিল মিতা। না পেয়ে অন্তত হাজার পাঁচেক টাকা দিতে বলেছিল। তারপর বাড়ি ফিরেই এই আত্মহত্যার ঘটনা। মৃত্যুর আগে ১০ মিনিটের মধ্যে ১০ বার স্বামীকে ফোন করেছিলেন তিনি। কিন্তু একবারও মিতার স্বামী রানা ফোন তোলেনি। তার ফোনে ১০টি মিসড কলও দেখা গিয়েছে কল হিস্ট্রি চেক করে। কেন ফোন তুললেন না রানা? যথাযথ উত্তর পাননি তদন্তকারী অফিসাররা।

স্বামীর যুক্তি, নবমীর রাতে ঠাকুর দেখতে বেরোনো নিয়ে অশান্তির জেরেই অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছে মিতা। তাঁর দেহ নামানোর সময়ই মাথায় আঘাত লাগে। কিন্তু তদন্তকারীদের মতে, নামাতে গিয়ে দেহ পড়ে গেলে কখনও ওই ধরনের আঘাত লাগতে পারে না। ফলে ক্রমশই মিতা মৃত্যু রহস্য জটিল আকার নিচ্ছে।

মাত্র ছ'মাস আগে গড়িয়ার মিতার সঙ্গে বিয়ে হয় ফুলেশ্বর বেসরকারি হাসপাতালের কর্মী রানার। সেই বিয়েতে মিতার রাজমিস্ত্রি বাবার প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ হয়। তারপর থেকেই মিতার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হত। দু'বছর আগে রানার সঙ্গে পরিচয় হয় মিতার। তারপর প্রেম থেকে পরিণয়। কিন্তু বিয়ের পরই উধাও হয়ে যায় সমস্ত প্রেম। শেষপর্যন্ত পরিণতি হয় ভয়াবহ। মিতার মৃত্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ঝড় তুলেছেন তাঁর বন্ধুরা।

English summary
Ex jadavpur university student died mysteriously
Please Wait while comments are loading...