Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

আয়াদের জুলুমবাজির শিকার হয়ে মৃত্যু প্রসূতির, উত্তাল আরজি কর

  • By: Oneindia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

কলকাতা, ৩১ অক্টোবর : আয়াদের জুলুমবাজির শিকার হলেন এক প্রসূতি। অভিযোগ, আয়ার ধাক্কায় প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগে ধুন্ধুমার-কাণ্ড আরজি কর হাসপাতালে। প্রসূতি মৃত্যুর প্রতিবাদে দফায় দফায় বিক্ষোভ, পথ অবরোধ চলে দীপাবলির দিনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালে যায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। পুলিশি হস্তক্ষেপেই ওঠে পথ অবরোধ। শনিবার রাতে সন্তানসম্ভবা স্ত্রী রেশমা বিবিকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করেন হাবিবুল।

দেগঙ্গার বাসিন্দা বছর কুড়ির রেশমা বিবি রবিবার ভোরে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এরপর তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। রোগীর শুশ্রুষা না করে হাসপাতালের এক আয়া রোগীর পরিবারের কাছে সেইসময় টাকা চেয়ে বসেন। সেই টাকা নিয়েই রোগীর পরিবারের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ওই আয়া। অভিযোগ, রোগীর পরিবার ওই টাকা দিতে অস্বীকার করায় আয়া রোগীকে ধাক্কা মারেন। পড়ে যান রেশমা। অজ্ঞান হয়ে যান। তারপরেই মৃত্যু হয় তাঁর।

আয়াদের জুলুমবাজির শিকার হয়ে মৃত্যু প্রসূতির, উত্তাল আরজি কর

শুরু হয় দফায় দফায় বিক্ষোভ। আরজিকর হাসপাতালের প্রিন্সিপাল শুদ্ধধন বট্টব্যাল আশ্বাস দিয়েছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযুক্তের দোষীসাব্যস্ত হলে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।সরকারি হাসপাতালে যে আয়াদের মেজাজ তুঙ্গে, তা আবার প্রমাণ করল আরজি কর হাসপাতালের এই ঘটনা। দীপাবলির দিন সেই নির্মম ঘটনার মাশুল গুনলেন দেগঙ্গার হাবিবুল লস্কর। হাবিবুলের অভিযোগ, স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাঁর কাছে হাজার টাকা দাবি করেন আয়ারা। তিনি একশো টাকা দেন।

টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের মাঝেই ঘটে যায় নির্মম ঘটনাটি। কিছুক্ষণ পরই হাবিবুলকে জানানো হয় মারা গেছেন রেশমা। হাবিবুলের অভিযোগ, টাকা নিয়ে বচসার জেরেই রেশমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছেন আয়ারা। তার জেরেই মৃত্যু হয়। ডেপুটি সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরই রেশমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তার জেরেই মৃত্যু বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা। একাংশ অবশ্য আয়াদের এই জুলুমবাজি মেনে নিয়েছে।

English summary
Nurse Thrashed pregnant woman, died later at R G kar hospital
Please Wait while comments are loading...