Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

২০ বছর ধরে ঘর-বন্ধ মহিলা, উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ যা জানল তাতে হতবাক হবেন আপনিও

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

২০ বছর ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছেন একটি ঘরেই। এই ২০ টা বছরে বাইরের খোলা বাতাস , আলো তাঁকে এসে ছুঁতে পারেনি। এমনই এক দমবন্ধ করা পরিবেশে আটকে রাখা হয়েছিল গোয়ার কান্দোলিম গ্রামের এক মহিলাকে। কিছুদিন আগেই এই খবর পেয়ে গোয়া পুলিশ তাঁকে গিয়ে মুক্ত করে।[আরও পড়ুন:১৩৭ বছরে এই প্রথম মেয়ে জন্ম নিল পরিবারে, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা]

নিজের পৈতৃক বাড়ির একটি ঘরে বন্ধ ছিলেন বছর পঞ্চাশের ওই মহিলা। বাড়িতে থাকেন তাঁর দুই ভাই ও তাঁদের পরিবার। জানা গিয়েছে, জল বা খাবার তাঁকে জানলা দিয়ে সরবরাহ করা হত। আর এই নিয়মেই অভ্যস্ত হয়ে ২০ টা বছরের প্রত্যেকটি দিন কাটিয়েছেন ওই মহিলা।[আরও পড়ুন:তিন বছরের মেয়েটি কাঁদলেই শরীর থেকে বের হচ্ছে রক্ত, তেলেঙ্গানার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য দেশজুড়ে]

২০ বছর ধরে ঘর-বন্ধ মহিলা, উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ যা জানল তাতে হতবাক হবেন আপনিও

তাঁকে উদ্ধার করতে পুলিশ পৌঁছলে , দেখা যায়, তিনি বদ্ধ ঘরটিতে নগ্ন অবস্থায় রয়েছেন। আর কিছুতেই ওই ঘর থেকে বেরোতে চাইছেন না। তাঁর পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, একসময়ে মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় এক ব্যক্তির। পরে তিনি জানতে পারেন , ওই ব্যক্তির আরেকটি পরিবার রয়েছে। ফলে স্বামীকে ছেড়ে নিজের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। তারপর থেকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকেন মহিলা। আর সেজন্য অমানবিকভাবে বাড়ির এক টি কোণের ঘরে তাঁকে আবদ্ধ করে রাখা হয়। পুলিশ জানিয়েছে বিষটিতে তদন্ত প্রাথমিক স্তরে রয়েএছ। প্রয়োজনে গ্রেফতারির পথে হাঁটতে পারে পুলিশ।[আরও পড়ুন:সারমেয়র ভালোবাসায় স্বামীর সঙ্গে যা করেছেন এক মহিলা তা কল্পনাতীত]

এর আগে, মহিলার কথা কানে আসে স্থানীয় এক সমাজসেবী সংগঠন 'বাইলাঞ্চো সাদ'- এর। তারাই খবর দেয় পুলিশকে । সমাজসেবী সংগঠনের দাবি , তাঁদের জৈনিক ব্যক্তি ইমেল মারফৎ এই খবর পাঠান। ওই ব্যক্তির দাবি ছিল, সে নিজে মহিলাকে ওই বাড়িতে এভাবে আটকে থাকতে দেখেছে।

English summary
A woman, currently in her 50’s, was on Tuesday found to be “confined” in a room in her parents’ house for the last twenty years for her ‘abnormal behaviour’ in Candolim village near Panaji, the police said.
Please Wait while comments are loading...