Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

ভাঙছে সমাজবাদী পার্টি? অখিলেশের সঙ্গে সম্পর্ক শেষের ঘোষণার পথে মুলায়ম

Subscribe to Oneindia News

লখনৌ, ৭ জানুয়ারি : উত্তরপ্রদেশে যাদব বংশে কলহ অব্যাহত। একেবারে সম্মুখ সমরে সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদব ও দলের মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকা অখিলেশ সিং যাদব। পিতা-পুত্রের সম্মুখ সমরের এখনও কোনও সমাধান বের করে ওঠা যায়নি। এই অবস্থায় সাংবাদিক সম্মেলন ডাকতে চলেছেন মুলায়ম সিং যাদব।

সূত্রের খবর, সাংবাদিক সম্মেলন করে পুত্র অখিলেশের সঙ্গে দূরত্ব একেবারে বাড়িয়েই নেবেন নেতাজি মুলায়ম। অর্থাৎ সমাজবাদী পার্টিতে শেষপর্যন্ত ভাঙন ধরার যে আশঙ্কা করা হয়েছিল তা সত্য হতে চলেছে।

ভাঙছে সমাজবাদী পার্টি? অখিলেশের সঙ্গে সম্পর্ক শেষের ঘোষণার পথে মুলায়ম

শুক্রবার মুলায়ম অখিলেশকে শর্ত দেন। তাতে বলেন, শিবলাল যাদবকে দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দিতে হবে। একইসঙ্গে অমর সিংকে রাজ্যসভায় সাংসদ নির্বাচিত করতে হবে। যদিও দুটি প্রস্তাবই ফিরিয়ে দিয়েছেন অখিলেশ। এমনকী মুলায়মের বার্তা নিয়ে কাকা শিবপাল যখন অখিলেশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে যান, তখন নাকি দেখাই করেননি তিনি।

গত রবিবার বিতর্কিত জাতীয় কনভেনশন ডেকে সমাজবাদী পার্টির প্রধানের পদ একপ্রকার বাবা মুলায়মের থেকে ছিনিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হন মুলায়ম। একইসঙ্গে শিবপালকে রাজ্যের দলীয় প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেন ও অমর সিংকে দল থেকে তাড়ান।

এই অবস্থায় মুলায়ম সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে শিবপালকে পাঠান অখিলেশের কাছে। একইসঙ্গে প্রস্তাব রাখেন শিবপালকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করার। যদিও শিবপালের সঙ্গে অখিলেশ দেখাই করেননি।

অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির প্রতীক সাইকেল কার কাছে থাকবে তা নিয়েও পিতা-পুত্রের মধ্যে লড়াই অব্যাহত। প্রতীক কাছে রাখার জন্য ১৫ জন সাংসদ, ২১২ জন বিধায়ক ও ৫৮ জন কাউন্সিলরের সই দেওয়া কাগজ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে অখিলেশ শিবির। এদিকে মুলায়ম শিবিরও দলের প্রতীক নিজের কাছে রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনে কাগজ জমা করতে চলেছেন। তার ভিত্তিতেই কমিশন প্রতীক কার কাছে থাকবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

English summary
Samajwadi Party to split? 'Mulayam Singh Yadav could declare split'!
Please Wait while comments are loading...