Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

ধর্ম ভুলে একে অপরের স্ত্রীকে কিডনি দান 'হিন্দু-মুসলমান' দুই ব্যক্তির

  • By: OneIndia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

জয়পুর, ১২ সেপ্টেম্বর : ধর্ম নিয়ে ভারতে বিবাদ যেমন রয়েছে। তেমনই বিবাদের ঊর্ধ্বে উঠে যাওয়ারও নজির রয়েছে। ঈদ ও ওনমের আগে এভাবেই অনন্য নজির সৃষ্টি করল দুই পরিবার। হিন্দু-মুসলমান দুই পরিবারের কর্তা একে অপরের স্ত্রীকে কিডনি দান করলেন। [দৈনন্দিন এই অভ্যাসগুলি আপনার কিডনির ক্ষতি করতে পারে!]

রাজস্থানের জয়পুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এই কিডনি প্রতিস্থাপনের ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু ব্যক্তির কিডনি পেয়েছেন এক মুসলমান মহিলা। আর মুসলমান ব্যক্তির কিডনিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন এক হিন্দু মহিলা। [কিডনিতে পাথর জমতে শুরু করেছে কিনা বুঝে নিন এই উপায়ে]

একে অপরের স্ত্রীকে কিডনি দান 'হিন্দু-মুসলমান' দুই ব্যক্তির

রাজস্থানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকতালীয় ভাবে দুজনেই একই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এমন ঘটনা রাজ্যে প্রথম ঘটল বলেও জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। [এই খাবারে কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি]

জানা গিয়েছে, হাসানপুরের বাসিন্দা অনিতা মেহরা গত কয়েকবছর ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। এদিকে আজমের গেটের কাছে বসবাসকারী তসলিম জাহানেরও অত্যধিক পেন কিলার খাওয়ায় কিডনি ফেল করে গিয়েছিল। [উত্তরপ্রদেশে এক মহিলার বুকে খোঁজ মিলল 'কিডনি'র]

অনিতার রক্তের গ্রুপ ছিল বি পজিটিভ। অন্যদিকে তসলিমের রক্তের গ্রুপ ছিল এ পজিটিভ। দুজনেরই হাসপাতালে ডায়লিসিস চলছিল। গোটা পরিস্থিতি লক্ষ্য করে এরপরে হাসপাতালের চিকিৎসকেরাই অনিতার স্বামী বিনোদ ও তসলিমের স্বামী আনোয়ার আহমেদকে কিডনি দানের অনুরোধ করেন।

সবকিছু জেনে বিনোদ ও আনোয়ার রাজি হয়ে যান। কারণ অঙ্গদান আইনানুযায়ী একমাত্র পরিচিত, নিকটাত্মীয়রা কিডনি দান করতে পারেন। তবে এভাবেও কিডনি বদল করা যেতে পারে। সেই নিয়মেরই এখানে সদ্ব্যবহার করা হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করা হয়েছে। দুই মহিলার স্বামীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি দুই মহিলাকেও হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

English summary
Muslim-Hindu men donate kindeys to each other’s wives and save their lives
Please Wait while comments are loading...