Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

(ছবি) ১৯৫২-২০১৭ : উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস একনজরে

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

বিগত ৬৫ বছর ধরে দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই রাজ্যের রাজনীতি যেমন বিস্তৃত, তেমনই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেও বৈচিত্র রয়েছে অনেক। জাতীয় দল বিজেপি-কংগ্রেসের পাশাপাশি এরাজ্যের বড় ফ্যাক্টর সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টির মতো আঞ্চলিক দলগুলি। বলা যায় আঞ্চলিক দলগুলিই গত কয়েক দশকে উত্তরপ্রদেশ শাসন করেছে।[উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনী ফলাফল ২০১৭ : পোস্টাল ব্যালটের গণনায় এগিয়ে বিজেপি]

এদিন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার ১৭তম বিধানসভা ভোটের ফলাফল বেরবে। কংগ্রেস-সপা জোট, বসপা নাকি বিজেপি কার ভাগ্যের শিঁকে ছেঁড়ে তা সময়ই বলবে। তবে তার আগে জেনে নেওয়া যাক এতবছর ধরে চলে আসা বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।[বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ২০১৭: গণনা শুরু পাঞ্জাব,মণিপুর, গোয়া ,উত্তরাখণ্ডে]

প্রথম পূর্ণ সময়ের মুখ্যমন্ত্রী

প্রথম পূর্ণ সময়ের মুখ্যমন্ত্রী

উত্তরপ্রদেশে এতবছরের বিধানসভা নির্বাচনে ২০১২ সালের আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীই চেয়ারে বসে পুরো পাঁচ বছর রাজ্য শাসন করতে পারেননি। ২০০৭ সালে বসপা প্রধান মায়াবতী মুখ্যমন্ত্রী হন এবং পুরো সময় পূর্ণ করেন।

প্রথম বিধানসভা ভোট

প্রথম বিধানসভা ভোট

প্রথম বিধানসভা ভোটে মোট আসন ছিল ৩৪৬টি। এর মধ্যে ৮৩টি আসনে দুজন করে জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সেই সময়ে এমন নিয়মই রাখা হয়েছিল। গোবিন্দ বল্লভ পন্থ প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তবে তিনবছরের মধ্যে পন্থ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় চলে গেলে সম্পূর্ণন্দ দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী হন। এরপরে ফের ১৯৫৭ সালে নির্বাচন হয়।

১৫ বছরে ৫ মুখ্যমন্ত্রী

১৫ বছরে ৫ মুখ্যমন্ত্রী

প্রথমদিকে কংগ্রেসের সরকারই উত্তরপ্রদেশে ছিল। একসময়ে ১৫ বছরে কংগ্রেস সরকার পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী বদল করে। এর মধ্যে সুচেতা কৃপালিনী প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে উত্তরপ্রদেশে শপথ নেন।

১৯৬৭ সালের নির্বাচন

১৯৬৭ সালের নির্বাচন

পরের পর মুখ্যমন্ত্রী বদল করে ১৯৬৭ সালে ৪২৫ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস মাত্র ১৯৯টি আসন পায়। চরণ সিংয়ের ভারতীয় ক্রান্তি দল, জন সংঘ, সিপিএম, রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়া, স্বতন্ত্র পার্টি, প্রজা স্যোশালিস্ট পার্টি মিলে জোট তৈরি করে। এছাড়া ২২জন নির্দল বিধায়ক জোটকে সমর্থন করলে চরণ সিং মুখ্যমন্ত্রী হন। তবে সেই সরকার এক বছরের বেশি স্থায়ী হয়নি।

১৯৭০-৭৭ সময়ে রাষ্ট্রপতি শাসনকাল

১৯৭০-৭৭ সময়ে রাষ্ট্রপতি শাসনকাল

১৯৬৯ সালে ফের নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে কংগ্রেস বহুমত পায়নি। ৪২৫টি আসনে মধ্যে ২১১টি পায় কংগ্রেস। চরণ সিংয়ের ভারতীয় ক্রান্তি দল মাত্র ৯৮টি ও জন সংঘ ৪৯টি আসন পায়। এর পরের আট বছরে মোট চারবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

জনতা দলের কার্যকাল

জনতা দলের কার্যকাল

ইন্দিরা গান্ধী বিরোধী হাওয়াকে কাজে লাগিয়ে জরুরি অবস্থা পরবর্তী ১৯৭৭ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোট পায় জনতা পার্টি। ফলে বিধানসভা ভেঙে যায়। নতুন করে ভোট হওয়ায় ৪২৫টি আসনের মধ্যে ৩৫২টি পায় জনতা পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী হন রাম নরেশ যাদব। তার মাত্র দুই বছরের মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ফের মুখ্যমন্ত্রী বদল হয়। নতুন দায়িত্ব পান বেনারসী দাস। তবে সবমিলিয়ে তিন বছরের মধ্যে সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা মুখ থুবড়ে পড়ে।

১৯৮০ পরবর্তী অধ্যায়

১৯৮০ পরবর্তী অধ্যায়

১৯৮০ সালের নির্বাচনে ৪২৫টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ৩০৯টি আসন পায়। মুখ্যমন্ত্রী হন বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং। তবে কংগ্রেস এবারও মুখ্যমন্ত্রী বদলের রাস্তা থেকে সরেনি। এরপরের আট বছরে মোট ৬বার মুখ্যমন্ত্রী বদল হয়। বোফর্স কেলেঙ্কারি নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং।

১৯৮৯-২০০৭ সালের মধ্যবর্তী সময়

১৯৮৯-২০০৭ সালের মধ্যবর্তী সময়

১৯৮৯ সালের নির্বাচনে ভিপি সিংয়ের জনতা দল সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। বাইরে থেকে সমর্থন দেয় বিজেপি। মুলায়ম সিং সেইসময়ে জনতা দলের নেতা ছিলেন। তিনি প্রথমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন। সেইসময়ে জাতপাতের রাজনীতি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে উত্তরপ্রদেশে। ওবিসি, দলিত, মুসলমান সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে ভোট পাওয়ার ব্লকে পরিণত করা হয়।

১৯৯৩ সালে উচ্চবর্ণের বিরুদ্ধে লড়াইকে জোরদার করতে একজোট হন মুলায়ম সিং ও মায়াবতী। যদিও সেই সম্পর্ক মধুর হয়নি। ১৯৯৫ সালে নির্বাচনে জিতে মায়াবতী উত্তরপ্রদেশের প্রথম দলিত মুখ্যমন্ত্রী হন। তাঁকে সমর্থন করে বিজেপি।

মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মুখ্যমন্ত্রী

মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মুখ্যমন্ত্রী

মায়াবতী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরবর্তী সময় উত্তরপ্রদেশে শাসনকাল অনিশ্চয়তায় ভরা ছিল। এইসময়ে মোট ১০জন মুখ্যমন্ত্রী বদল হন ও তিনবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। এরই মাঝে কংগ্রেসের জগদম্বিকা পাল মাত্র ৪৮ ঘণ্টার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন।

২০০৭ পরবর্তী সময়

২০০৭ পরবর্তী সময়

২০০৭ সালে নির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হন মায়াবতী। এই প্রথমবার উত্তরপ্রদেশে কোনও মুখ্যমন্ত্রী পূর্ণ সময় নিজের চেয়ারে কাটান। এরপরে ২০১২ সালে নির্বাচনে জিতে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হন অখিলেশ যাদব। তিনিও নিজের পাঁচ বছরের সময় পূর্ণ করেছেন।

English summary
Uttar Pradesh elections fact since 1952 to 2017 at a glance.
Please Wait while comments are loading...