Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

পাকিস্তানি চর মেহমুদ আখতার সম্পর্কে এই তথ্যগুলি জেনে নিন একনজরে

  • By: Oneindia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

পাকিস্তানি হাই কমিশনের এক কর্মীকে এদিন গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। অভিযুক্তের নাম মেহমুদ আখতার। তাঁর কাছ থেকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।

পাক দূতাবাসের কর্মী এই মেহমুদ আখতারকে গোপন ও গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারের জন্য রাজস্থানের বাসিন্দা দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ দমন শাখা। মেহমুদকে গ্রেফতার করা না হলেও জেরা করে এর পিছনে আর কে কে রয়েছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ। একনজরে জেনে নিন মেহমুদ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

ভিসা বিভাগে কাজ করত মেহমুদ

ভিসা বিভাগে কাজ করত মেহমুদ

মেহমুদ আখতার পাকিস্তানি দূতাবাসের ভিসা বিভাগে কাজ করত। রাজস্থানের দুই ব্যক্তির কাছ থেকে সে গোপন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছিল। সেই দুই ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পাক আইএসআইয়ের সদস্য

পাক আইএসআইয়ের সদস্য

পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করেছে মেহমুদ। গাঁটছড়া বাঁধে ২০১৩ সালে। একইসঙ্গে সে পাকিস্তানি সেনার বালোচ রেজিমেন্টেরও সদস্য। সেনাবাহিনী সে হাবিলদার পোস্টে কর্মরত।

কূটনৈতিক রক্ষাকবচের অধিকারী

কূটনৈতিক রক্ষাকবচের অধিকারী

দিল্লিতে পাক হাইকমিশনের হয়ে কাজ করত মেহমুদ আখতার। দিল্লি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও কূটনৈতিক রক্ষাকবচ থাকার কারণে তাকে ছেড়ে দিতে হয়েছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে দেশে ফেরত যাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আধার কার্ডে অন্য নাম মেহমুদের

আধার কার্ডে অন্য নাম মেহমুদের

মেহমুদ আখতারের আধার কার্ড অনুযায়ী নামহল মেহবুব রাজপুত। আখতার জানিয়েছে সে দিল্লির চাঁদনি চক এলাকার বাসিন্দা ছিল।

আবদুল বসিতকে সমন

আবদুল বসিতকে সমন

দিল্লি পুলিশ সমস্ত তথ্য জোগাড় করে মেহমুদ আখতারকে গ্রেফতার করার পরই সমন পাঠানো হয় ভারতে অবস্থিত পাক হাইকমিশনার আবদুল বসিতকে। বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্করের অফিসে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়।

পাকিস্তানের মিথ্যাচার

পাকিস্তানের মিথ্যাচার

আবদুল বসিতকে ঘটনা জানানোর পরে তিনি দাবি করেন মেহমুদ আখতারকে ফাঁসানো হয়েছে। পাকিস্তানি সরকারও ইসলামাবাদ থেকে একই অভিযোগ তুলে ভারতকে হুঁশিয়ারি দেয়। তাদের হাই কমিশনের কর্মীকে অযথা হয়রানি করা হয়েছে এবং মারধর করা হয়েছে।

দুই চরের নাম প্রকাশ

দুই চরের নাম প্রকাশ

পাকিস্তানকে গোপন নথি পাচারের অভিযোগে যে দুই ব্যক্তিকে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের নাম হল যথাক্রমে মৌলানা রমজান ও সুভাষ জাঙ্গীর। তাদের ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে গোয়েন্দারা

ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে গোয়েন্দারা

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা মনে করছেন, এই ঘটনার পিছনে শুধু মেহমুদ ও বাকী দুই চর ছাড়াও একটি বড় চক্র রয়েছে। সেই চর চক্রেরই নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।

English summary
Things to know about Pakistan's spying and Mehmood Akhtar
Please Wait while comments are loading...