Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

শশীকলা নটরাজনকে নিয়ে এই ৮টি অজানা তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

সোমবার পর্যন্ত মনে করা হচ্ছিল, শত বিরোধিতা সত্ত্বেও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে সম্ভবত বসতে চলেছেন প্রয়াত জে জয়ললিতা ঘনিষ্ঠ শশীকলা নটরাজন। তবে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট নিজেদের রায়ে জানিয়েছে, হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি মামলায় শশীকলা সহ বাকীদের চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হল।[দোষী সাব্যস্ত শশীকলা : আয় বহির্ভূত সম্পত্তি মামলার টাইমলাইন একনজরে]

জয়ললিতার সঙ্গে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে প্রায় ছায়াসঙ্গী ছিলেন শশীকলা। জয়ললিতা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও একমাত্র তিনিই তাঁর সঙ্গে গিয়ে দেখা করেছেন। বাকী আর কেউ জয়ার মুখটুকু দেখার সুযোগ পাননি। জয়ার জেল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলে গিয়েছেন শশীকলাও। তাঁকে এআইএডিএমকে ও নিজের পয়েজ গার্ডেনের বাড়ি থেকে বহিষ্কার করে ফের ফিরিয়েও এনেছেন জয়া। এহেন শশীকলার সঙ্গে এই তথ্যগুলি অবশ্যই জেনে রাখা প্রয়োজন।[আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি মামলায় দোষী সাব্যস্ত শশীকলা নটরাজন]

জয়ার সঙ্গে আলাপ

জয়ার সঙ্গে আলাপ

তিরুবারুর জেলার মান্নারগুড়ির শশীকলা স্কুল 'ড্রপ আউট'। তিনি ভিডিওর ব্যবসা করতেন। ১৯৮২ সালে শশীকলার স্বামী এম নটরাজন তাঁকে জয়ললিতার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেন। নটরাজন সেইসময়ে সরকারের জনসংযোগ আধিকারিক ছিলেন।[জয়ললিতার 'জয়া' থেকে 'আম্মা' হয়ে ওঠার কাহিনি]

জয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা

জয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা

জয়ার সঙ্গে আলাপের পরই ঘনিষ্ঠতা হয়ে যায় শশীকলার। তখন থেকেই জয়ার ছায়াসঙ্গী হয়ে ওঠেন তিনি। এরপরে ১৯৮৮ সালে জয়ললিতার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন তিনি।[জয়ললিতা সম্পর্কে এই তথ্যগুলি সিংহভাগ মানুষ জানেন না]

দল থেকে বহিষ্কার

দল থেকে বহিষ্কার

১৯৯৬ ও ২০১২ সালে এই দু'বার দলবিরোধী কাজের জন্য নিজের বাড়ি ও দল থেকে শশীকলাকে সরিয়ে দেন জয়া। তবে পরে কিছুদিনের মধ্যে ফিরিয়েও আনেন।[জে জয়ললিতার জীবনী একনজরে]

স্বামীকে ছাড়লেও জয়াকে ছাড়েননি শশীকলা

স্বামীকে ছাড়লেও জয়াকে ছাড়েননি শশীকলা

১৯৯০ সালে এম নটরাজনকে জয়ললিতার বাড়ি থেকে কার্যত তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে সেইসময়ে স্বামীর সঙ্গ দেওয়ার বদলে জয়ার সঙ্গেই থেকে যান শশীকলা।

শশীকলাকে ফের সরিয়ে দেওয়া

শশীকলাকে ফের সরিয়ে দেওয়া

২০১২ সালে সমস্ত রকমের প্রশাসনিক বিষয় থেকে শশীকলাকে সরিয়ে দেন জয়ললিতা। তবে কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্ক ঠিক হয়ে যায় জয়ললিতা ও শশীকলার।

পয়েজ গার্ডেনে ফিরে আসা

পয়েজ গার্ডেনে ফিরে আসা

জয়ললিতার মৃত্যুর পরে পয়েজ গার্ডেনের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন জয়ললিতা। নিজের সম্পত্তির কোনও উইল করেননি জয়া। তার সুযোগে শশীকলা পয়েজ গার্ডেনের বাড়ি অধিকার করে বসেন।

পন্নিরসেলবমকে তুলে ধরা

পন্নিরসেলবমকে তুলে ধরা

জয়ার মৃত্যুর পরে প্রথমে ও পন্নিরসেলবমকে মুখ্যমন্ত্রী হতে বলেন শশীকলাই। তিনি হন এআইএডিএমকে-র সাধারণ সম্পাদক। দলের নিয়ম হল যিনি সাধারণ সম্পাদক হবেন, দল সরকারে থাকলে তিনিই মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসবেন।

পিছনের দরজা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা

পিছনের দরজা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা

জয়ললিতার মৃত্যুর পরে এর আগে দায়িত্ব সামলানো পন্নিরসেলবমই মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন। তবে অভিযোগ, শশীকলা ষড়যন্ত্র করে নিজে প্রথমে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ হাতিয়ে ঘুরিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করেন।

English summary
From a video cassette pusher to boss of Poes Garden two months ago, head of AIADMK a month ago and soon to step into into the corridors of power at Fort St George, Sasikala's rise has been meteoric in the last three decades. Here are some points about the woman who almost became the Tamil Nadu CM.
Please Wait while comments are loading...