Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

(ছবি) স্মুচ-সিঁদুর-সুইসাইড: রহস্যময়ী রেখার জীবনের চমকে দেওয়া বাস্তব বায়োগ্রাফিতে!

  • By: Oneindia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

প্রথম ছবির সেটে 'শ্লীলতাহানি' থেকে শুরু করে বিনোদ মেহরার মায়ের কাছে অপদস্ত হওয়া, বলিউডের নামি অভিনেতার সঙ্গে অ্য়াফেয়ারের ঘটনা হোক বা স্বামী মুকেশ আগরওয়ালের মৃত্যুতে গোটা দুনিয়ার চোখে লজ্জিত হওয়া, সবকিছু অত্যন্ত সুচারু ও শক্তহাতেই সামলেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রেখা।[(ছবি)বলিউড তারকাদের বিতর্কিত ফটোশুট]

রেখার ব্যক্তিগত জীবন যথেষ্ট কোলাহলপূর্ণ। জীবনে চড়াই উতরাই বহু দেখেছেন তিনি। এবার তাঁর জীবনের টক মিষ্টি তেঁতো নানা মুহূর্ত ধরা পড়ল তাঁর বায়োগ্রাফি রেখা : দ্য আনটোল্ড স্টোরি। বইটির লেখর ইয়াসের উসমান। এই বইতে রেখার জীবনের একের পর এক চমকে দেওয়া তথ্য উঠে এসেছে। [(ছবি) অপ্রস্তুত চুমুর গেরোয় বলিউডের তারকারা!]

১৫ বছরের রেখাকে চুমুর জন্য জোর করা হয়েছিল

১৫ বছরের রেখাকে চুমুর জন্য জোর করা হয়েছিল

মুম্বইয়ের মেহবুবা স্টুডিওতে প্রথম ছবি অঞ্জানা সফর-এ অভিনয়ের সময়ে রেখার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। সেই শুটিংয়েই এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল রেখাকে যাকে আজকের সমাজে অবলীলায় শ্লীলতাহানি বলা চলে। ছবির পরিচালক ছিলেন রাজা নাওয়াথে এবং অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। একটি রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ের কথা ছিল।[রেখাকে 'মা' বলে ডাকলেন বচ্চন পুত্রবধূ ঐশ্বর্য?]

পরিচালক অ্যাকশন বলতেই বিশ্বজিৎ রেখার ঠোঁট নিজের ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরেন। এই চুম্বনের দৃশ্য সম্পর্কে কোনও কিছু আগে থেকে রেখাকে জানানো হয়নি। ক্যামেরা চলছে, ওদিকে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা হাততালি, সিটি বাজিয়ে ওই দৃশ্য উপভোগ করছেন। পরিচালক 'কাট' করার নাম নিচ্ছেন না। প্রায় টানা ৫ মিনিট ধরে চোখ বুঝে হেনস্থা সহ্য করেছিলেন রেখা। কিছু বলতে পারেননি। শুধু দুচোখ বেয়ে জল বেরিয়ে এসেছে।

পায়ের জুতো খুলে রেখাকে প্রায় মারতে গিয়েছিলেন বিনোদ মেহেরার মা

পায়ের জুতো খুলে রেখাকে প্রায় মারতে গিয়েছিলেন বিনোদ মেহেরার মা

এক চিত্রপরিচালকের কথা অনুযায়ী, রেখার সঙ্গে বিনোদ মেহেরার সম্পর্ক নিয়ে নানা গুজব তৈরি হয়েছিল। অনেকে বলতেন বিনোদ মেহরা রেখার স্বামী। কলকাতায় বিয়ে করে আসার পর রেখাকে বম্বের বাড়িতে তোলেন মেহরা। তাতে অগ্নিশর্মা হন মেহরার মা। নতুন বউকে বাড়িতে ঢুকতে দেননি শাশুড়ি। রেখা মেহরার মায়ের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি। দরজার দাঁড় করিয়েই অপমান করতে থাকেন। একটা সময় নাকি পা থেকে জুতো খুলে রেখাকে মারার জন্যও জুতো হাতে তেড়ে আসেন মেহেরার মা। লজ্জায় অপমানে চোখে জল নিয়েই সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান রেখা।[(ছবি) ক্যাটরিনা কাইফ সুন্দরী বলে শুটিং সেট ছাড়লেন রেখা?]

ঋষি কাপুর নীতু সিংয়ের বিয়েতে রেখার মাথায় সিঁদুর গলায় মঙ্গলসুত্র

ঋষি কাপুর নীতু সিংয়ের বিয়েতে রেখার মাথায় সিঁদুর গলায় মঙ্গলসুত্র

১৯৮০ সালের ২২ জানুয়ারি নীতু সিং ও ঋষি কাপুরের বিয়ে হয়। নীতু ও রেখা ঘণিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। ঋষি কাপুরের বিয়েতে চলচ্চিত্র দুনিয়ার কেউকেটারা উপস্থিত ছিলেন। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চন, তাঁর স্ত্রী জয়া বচ্চনও উপস্থিত ছিলেন।

সেই সময় সবাইকে চমকে দিয়ে রেখা মাথায় সিঁদুর ও গলায় মঙ্গলসূত্র পরে বিয়েবাড়িতে ঢোকেন। রেখা ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো লাইমলাইট ঋষি-নীতুকে ছেড়ে রেখার উপর গিয়ে পরে।[(ছবি) বিমানবন্দরে রেখা-দীপিকা পাশাপাশি! নজরই গেল না দীপিকার দিকে!]

পরে একটি সাক্ষাৎকারে রেখা বলেন, আসলে একটি ছবির শুটিংয়ের জন্য সিঁদুর ও মঙ্গলসুত্র পরেছিলেন তিনি। বিয়েবাড়িতে তিনি সোজা শুটিং থেকেই এসেছিলেন। আসার আগে তা খুলতে ভুলে গিয়েছিলেন।

রেখার স্বামী মুকেশ আগরওয়ালের আত্মহত্যা

রেখার স্বামী মুকেশ আগরওয়ালের আত্মহত্যা

রেখার বায়োগ্রাফি থেকে যেটুকু জানা যায় তাতে মুকেশ আগরওয়াল চরম অবসাদে ভুগছিলেন। রেখার অভিনয় পেশাকে মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। এরপর বিচ্ছেদের পর তিনি মানসিকভাবে এতটাই ভেঙে পরেন যে আত্মহত্যার পথ অবলম্বন করেন।

রেখার ডাই হার্ড ফ্যান ছিলেন মুকেশ। উঠতি এই শিল্পপতির দিকে প্রথম বন্ধুত্বের হাত বাড়ান রেখা। কারণ তিনি জীবনে থিতু হতে চাইছিলেন। আলাপ ক্রমেই ভালাবাসায় পরিণত হয় এবং অবশেষে এক মাসের মধ্যে বিয়েও হয়ে যায়।[ সংসদে টানা অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে সাংসদের আক্রমণের মুখে শচীন তেণ্ডুলকর ও রেখা]

কিন্তু মুকেশের পরিবারে অবসাদে ভোগার ইতিহাস রয়েছে, এমনকী মুকেশ নিজেও অবসাদে ভোগেন একথা জানার পর থেকেই তাঁদের বিবাহিত জীবনে ভাঙন শুরু হয়। মুকেশের ব্যবসার অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে সে বিষয়েও রেখাকে তিনি কিছু জানাননি। আচমকা দিল্লিতে কাজ ছেড়েছুড়ে মুম্বইতে চলে আসেন তিনি। এবং বিনা কারণে রেখার শুটিংয়ে ঘুরে বেড়াতেন।

এরপর থেকেই অনেকে তাঁকে, ডাইনি, পুরুষ খেঁকো বলতে শুরু করে। মুকেশের মৃত্যুর জন্য মুকেশের ভাই ও চিকিৎসক-সহ অনেকেই রেখাকে দায়ী করতে শুরু করে।

জনপ্রিয় পরিচালক সুভাষ ঘাই থেকে শুরু করে অভিনেতা শশী কাপুর, অনুপম খের কেউই রেখাকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি।

English summary
Smooch, Sindoor and Suicide: Rekha biography gives shocking details on the star's life
Please Wait while comments are loading...