Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

(ছবি) বার্থ ডে স্পেশাল : আমিরের এই সিনেমাগুলিতে রয়েছে গভীর সামাজিক বার্তা

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

বলিউডের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নামের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন আমির খান। বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট নিজের সিনেমা দিয়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রির মানকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন। তাঁর সিনেমা মানেই তাতে অন্য স্বাদ, সামাজিক বার্তা যা সময়োপযোগীও বটে।[(ছবি) জন্মদিন স্পেশাল : সেলুলয়েডে আমিরের 'সেরা লুক' একনজরে ]

আমির ধীরে ধীরে নিজেই যেন প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছেন সিনেমার জগতে। আর তাঁর দক্ষতা গত কিছু বছরের প্রতিটি সিনেমার মধ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন। সরফরোশ সিনেমার 'সুপার কপ' অজয় সিং রাঠৌরের চরিত্র হোক অথবা দঙ্গলে মহাবীর সিং ফোগত, সব চরিত্রের জন্যই নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন আমির। জন্মদিনে তাঁর অভিনীত এমনই কিছু সিনেমা কথা রইল যা বলিউড সিনেমাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।

সরফরোশ (১৯৯৯)

সরফরোশ (১৯৯৯)

জো জিতা ওহি সিকন্দর সিনেমা দিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেওয়া আমির খানের প্রথম থেকেই চকোলেট হিরো মার্কা ইমেজ ছিল। সেটা বদলে অন্যরকম চরিত্রে প্রথমবার বড়পর্দায় পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করেন আমির সরফরোশ সিনেমায়। তারপর থেকে অভিনেতা হিসাবে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন আমির।

লগান (২০০১)

লগান (২০০১)

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সময়ের এক পিরিয়ড ড্রামা লগান ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এক কালজয়ী ছবি। ডেভিড বনাম গোলিয়াথের লড়াইয়ের মতো ভারত বনাম ঔপনিবেশিক শক্তি ইংরেজদের লড়াইয়ে দেশকে সম্মান এনে দেন ভুবনের চরিত্রে অভিনয় করা আমির। সিনেমাটি প্রযোজনা করতে কেউ রাজি হচ্ছিলেন না। শেষপর্যন্ত আমিরের প্রযোজনায় ও আশুতোষ গোয়ারিকরের পরিচালনায় লগান তৈরি হয় ও তারপর বাকীটা ইতিহাস।

মঙ্গল পাণ্ডে (২০০৫)

মঙ্গল পাণ্ডে (২০০৫)

কেতন মেহতার সিনেমা মঙ্গল পাণ্ডে-তে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন আমির। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিনেমায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন আমির। নিজের লুক থেকে শুরু করে অভিনয় সবেতেই অন্যরকম ছিলেন আমির।

রং দে বসন্তী (২০০৬)

রং দে বসন্তী (২০০৬)

ভারতীয় স্বাধীনতার যুদ্ধের প্রেক্ষিতে এক বিদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক ভারতে এসে সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করেন। যাদের নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছিলেন, সেই কলাকুশলীরা ধীরে ধীরে স্বাধীনতার আসল মানে বুঝতে শুরু করেন। স্বাধীন ভারতে লড়াইটা বদলে যায় রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই সিনেমায় ডিজে-র ভূমিকায় অভিনয় করেন আমির যা যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

তারে জমিন পর (২০০৭)

তারে জমিন পর (২০০৭)

ডিসলেক্সিয়া নামে একটি রোগকে কেন্দ্র করে শিশুদের নিয়ে তৈরি এই সিনেমা সন্তান-অভিভাবরেক মধ্যে সম্পর্কে আলো ফেলেছিল। জীবনযুদ্ধে দৌড়তে গিয়ে ছোট শিশুকে তার নিজের মতো চলতে না দিয়ে জীবনের চরকিপাকে ঘুরতে বাধ্য করা তাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের এক অনন্য গল্প ছিল এই সিনেমা। শেষপর্যন্ত জীবনযুদ্ধে লড়ার ও জয়ী হয়ে আসার কাহিনিও একইসঙ্গে এই সিনেমায় বলা হয়েছে। আমিরের এই সিনেমা ভারতীয় দর্শককে মন্ত্রমুগ্ধ করেছে সন্দেহ নেই।

পিকে (২০১৪)

পিকে (২০১৪)

ধর্মের ভেদাভেদ সারা পৃথিবীকে আলাদা করে দিয়েছে। সামাজিক-ধার্মিক সমস্ত বড় ভেদের মূলেই রয়েছে ধর্মীয় কারণ। আর এসবের মাঝে এসে পড়ে ভিন গ্রহের এক প্রাণী। পৃথিবীর এমন আজব কাণ্ডকারখানা দেখে তার মনে অসংখ্য প্রশ্ন জাগে, আর তার উত্তর দিতে গিয়ে একেরপর এক নেতিবাচক ভাবনা যা মানুষের মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে তা সামনে আসে। এই সিনেমাকে বলা যেতে পারে ধর্মের বিরুদ্ধে এক কড়া জবাব। আর সেখানেও নাম ভূমিকায় সেই আমির খান।

দঙ্গল (২০১৬)

দঙ্গল (২০১৬)

এই সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডের সবচেয়ে ঝুঁকি নেওয়া অভিনেতা হিসাবে নতুন মাইলস্টোন তৈরি করেছেন আমির খান। এই সিনেমার জন্য ৩০ কেজির বেশি ওজন বাড়ান তিনি। যার ফলে নানা শারীরিক সমস্যার মধ্যে তাঁকে পড়তে হয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও বিপদের ঝুঁকি নিয়ে এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

মেয়ে ও বাবার ভালোবাসার এক অনন্য গল্প এই দঙ্গল। মেয়েদের জীবনযুদ্ধে জিততে দেখতে চান বাবা, তাদের দিয়ে পাওয়াতে চান অলিম্পিকের পদক, আর সেজন্য প্রাণপাত করতে ও করাতে তৈরি তিনি। নিজের জীবনের বাজি রেখে মেয়েদের তৈরি করার গল্পই দঙ্গলে বলা হয়েছে। সেখানে মহাবীর সিং ফোগতের চরিত্রে আমির সকলকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন।

English summary
Birthday special : Sarfarosh to Dangal; Aamir Khan’s films that amazed us all through
Please Wait while comments are loading...